আমাদের সমাজ, পরিবারে শিশুদেও বেড়ে ওঠা কোনো অংশেই একটি যুদ্ধের চেয়ে কম নয়। একটি শিশুকে যতটা সর্তকতা, আনন্দ ও মনোযোগের সাথে লালন করা উচিত, সমাজের পুরোনো ধ্যান-ধারণা, জ্ঞানের অভাবের কারণে গৃহিণী বা কর্মজীবি মা বাবা কেউই তাদের প্রতি যথাযথ মনোযোগ দেন না। ফলশ্রতিতে আমাদের শিশুদের শৈশবের মধুর সমৃতির পরিবর্তে জায়গা করে নেয় ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, ট্রমা।
কিন্তু একটু মনোযোগে পুরো চিত্রটি পাল্টে গেলে তাদের শৈশব হয়ে উঠবে রূপকথার মতো সুন্দর। সেই প্রয়াসে কয়েকটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত হয়েছে ‘‘আমার সন্তান যেন থাকে নিরাপদে”। এখানে প্রতিটি চরিত্র যেমন বাবু, প্রিন্স, সুজন, বিশাল আর একটু নিরাপদ সমাজ চায়। সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার নিশ্চয়তা চায়।