বিজ্ঞান, যন্ত্রসভ্যতা ও আধুনিক মেধা-মননের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনচেতনায় সূচিত হয়েছে সুস্পষ্ট পরিবর্তন। এ পরিবর্তনের স্রোতে বদলে গেছে জীবনের পরিপূরক সকল উপাদান। সামাজিক কাঠামো, রাষ্ট্রের ধারণা ও বহুমাত্রিক রাজনৈতিক মতবাদ মানুষের চেতনাজগতে যে পরিবর্তন আনে, তা একই সঙ্গে মানুষের মৌলিক চাহিদাকেও বিন্যস্ত করে নতুনভাবে। ফলে অন্ন-বস্ত্র- বাসস্থানেই তার জীবনের পরিপূর্ণতা নিশ্চিত হয় না। চিকিৎসা-বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও সুশাসনও আধুনিক মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্তর্গত হয়ে যায়। জীবনের পরিপূর্ণতার ধারণায় এ নতুন ভাবনা মানুষের চাহিদাকেই শুধু নতুন রূপে বিন্যস্ত করে না, বরং শাসককে মুখোমুখি করে নতুন চ্যালেঞ্জের। সভ্যতার ইতিহাসে বিবর্তনের যে ধারা লক্ষ করা যায়, তা শাসনতান্ত্রিক রীতিতেও পরিবর্তন আনে খুব সঙ্গত কারণে। ফলে সামন্ত রাজার সামনে বিনীত-ভয়ার্ত প্রজার অনুগ্রহলাভের ব্যাপার ঠাঁই পায় ইতিহাসে। বর্তমান বাস্তবতায় মানুষ নিজের ভাল-মন্দ নির্ধারণ করার দায়িত্ব নিজেই গ্রহণ করে। তাই দেখা যায়, তার জীবনকে সুন্দর ও সুখকর করার জন্য শাসকের প্রতি তার দাবি সে বুঝে নিতে চায় ষোল আনা। পৃথিবীর দেশে দেশে জনসাধারণের এরূপ