“বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল” বইটির শেষের ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ বিশ্বের বিস্ময়! রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। কল্প-কাহিনি নয়-সত্যি। অথচ আশ্চর্য এক রহস্যঘেরা এলাকা । আটলান্টিক ওসানের এমন এক জায়গা,যেখানে পৌছলেই বিচিত্র অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হচ্ছে জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকরা। এই রহস্যের শুরু বহু আগে। বিশ্ববিখ্যাত নাবিক কলম্বাসের সময় থেকে আজও এই রহস্যের সুরাহা হয়নি। আটলান্টিকের ওসানে গােটা জাহাজ,সাবমেরিন নাবিকসহ উধাও,তেমনি আকাশপথে বিমান কিংবা মহাকাশ খান পাইলটসহ নিখোঁজ! আশ্চর্য সব ঘটনার রহস্যঘেরা এলাকা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। এটা কি সত্যিই কোনাে মহাকাশচারীর কাজ,নাকি অন্যকিছু। রহস্য আর রােমাঞ্চকর ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। বর্তমান বিশ্বের সবচাইতে আলােকিত,জীবন্ত কিংবদন্তি রহস্যের স্থান। সত্যিই কি এখানে রহস্যময় কোনাে গ্রহের বাসিন্দার কারসাজি রয়েছে নাকি ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক ফিল্ড,নাকি ফোর্থ ডাইমেনশন পাওয়ারের এক অদৃশ্য শক্তির লীলা খেলা? রহস্যের জট খুলতে বিজ্ঞানী ও বাঘা বাঘা গবেষকদের চেষ্টার অন্ত নেই…