বিশ্বজগতের যাবতীয় কর্মকাণ্ড ঘটার পিছনে কোনও না কোনও কারণ থাকে। কী সেই কারণ? এসব কারণ অনুসন্ধানে মানুষ নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। আর এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে উন্মোচিত হয় নতুন নতুন জ্ঞান। এই জ্ঞানই হলো বিজ্ঞান। প্রকৃতি ও জগৎ সম্পর্কে মানুষের রয়েছে নানান কৌতূহল। রয়েছে নানান প্রশ্নের উত্তর খোঁজা। ওটা কেন এরকম? এটা কেন ওরকম হলো? যদিও সব প্রশ্নের উত্তর আমাদের সবার জানা নেই। এবং যত সহজে প্রশ্ন তোলা যায়,জবাব এত সহজে মেলে না। এই জবাব আবার সবাই খোঁজেও না। খোঁজে কেবল যাদের জানার আগ্রহ আছে,তারাই। বলা হয়ে থাকে,যার যত বেশি কৌতূহল,সে তত বেশি বিজ্ঞানমনষ্ক। এই বিজ্ঞানমনষ্কতাই একসময় বিজ্ঞানী হতে সহায়তা করে। বিজ্ঞানী করে তোলে। তার মানে হলো বিজ্ঞানী হতে হলে প্রথমে কৌতূহলী মনের প্রশ্ন থাকতে হবে। আমাদের কৌতূহলী মনে অনেক রকম প্রশ্ন তৈরি হয়। এরকম কিছু প্রশ্ন আর উত্তর নিয়েই ‘বিজ্ঞান কী বলে’ বইটি সাজানো হয়েছে। আশা করি বইটি পাঠককে কৌতূহলী ও বিজ্ঞানমনষ্ক করে তুলতে সাহায্য করবে।