ইভ ব্ল্যাকের বয়স তখন বারো বছর। দুর্ধর্ষ এক খুনী তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে গহীন রাতে। খবরের কাগজগুলো গালভরা এক নাম দিয়েছে সেই খুনীর। দ্য নাথিং ম্যান। পরিবারের একমাত্র সদস্য হিসেবে সেই হত্যাকাণ্ড থেকে সেদিন ভাগ্যজোরে বেঁচে যায় সে। প্রাপ্তবয়স্ক ইভ এখন সেই খুনীকে খুঁজে বের করার নেশায় মগ্ন। এক রাতে তার জীবনের নকশা আমূল পাল্টে দিয়েছিল যে।
সুপারমার্কেটের নিরাপত্তা রক্ষী জিম ডয়েল সবে দ্য নাথিং ম্যান বইটি পড়া শুরু করেছে। ট্রু-ক্রাইম ঘরানার এই বইটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত। কিভাবে নাথিং ম্যানকে খুঁজে বেড়াচ্ছে ইভ, সেটার বিস্তারিত বর্ণনা আছে ভেতরের পাতায়। একটা করে পৃষ্ঠা ওল্টায় জিম আর রাগ ক্রমশ চড়তে থাকে। কারণ জিম যে শুধু নাথিং ম্যান সম্পর্কে আগ্রহী—তা নয়। সে-ই নাথিং ম্যান।
অল্প সময়ের মধ্যেই জিম অনুধাবন করে, ইভ সত্যের কতটা কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এটাও বুঝতে পারে যে তাকে খুঁজে না পাওয়া অব্ধি ইভ থামবে না।
তাই এখন একটাই উপায় আছে জিমের হাতে… তাকে খুঁজে বের করার আগেই থামিয়ে দিতে হবে ইভকে। পাঠক, আপনাকে স্বাগতম রুদ্ধশ্বাস এই ইঁদুর-বিড়াল খেলায়।