বিভীষিকাময় অতীত থেকে পালিয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে ইদির জলিল। আবেদন করেছে নাগরিকত্ব পাওয়ার। নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য তাকে মুখোমুখি হতে হবে এক মনোবৈজ্ঞানিক সমীক্ষণ-সাইকোলজিক্যাল টেস্ট-এর। মাত্র পঁচিশটা প্রশ্ন। পাস করলেই পেয়ে যাবে কাঙ্ক্ষিত সোনার হরিণ-নিশ্চিত নাগরিকত্ব। ফেল করলে পরবর্তী ফ্লাইটেই তল্পিতল্পা সহ ফেরত পাঠানো হবে নিজ দেশে। আর এই টেস্টেই ইদির মুখোমুখি হলো এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হলো সে। তার স্ত্রী আর পুত্রের দিকে অস্ত্র তাক করে রেখেছে আতঙ্কবাদীরা। যে কোনো একজনের জীবন বেছে নিতে হবে ইদিরকে। কে হবে সন্ত্রাসের বলি? কী হবে ইদির জলিলের পরিণতি?