বৈবাহিক জীবনটা বরাবরই দায়িত্বশীলতার। মুসলিম পরিবারগুলো তখনই স্বার্থক ও সফল হয় যদি সেখানে সমঝোতা, বোঝাপড়া ও ভ্রাতৃত্ববোধটি টিকে থাকে। স্বামী বা স্ত্রীর উচিত একে অপরের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে সততা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে জিইয়ে রাখা। বর্তমানে মিডিয়া সব কিছুকে উন্মুক্ত করে দেয়ায় মানুষ এখন শারীরিক আকর্ষণকে বড়ো করে দেখছে। আর হ্যাঁ! শারীরিক আকর্ষণ যে বড়ো নয়; কুরআন-সুন্নাহর আলোকে তারই সত্য উন্মোচন করা হয়েছে অত্র গ্রন্থে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে স্ত্রীর হক্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,তুমি যা খাবে, স্ত্রীকেও তা খাওয়াবে। আর তুমি যা পরিধান করবে তাকেও তা পরাবে। আর স্ত্রীর চেহারার উপর মারবে না এবং তাকে গালি-গালাজ করবে না। তাকে ঘর হতে বের করে দিবে না।
[আবু দাউদ, হাদিস নং-২১৪২ ; মুসতাদরাক হাকেম, হাদিস নং-২৭৬৪]
কুরআন-সুন্নাহর সাথে আমরা খুব একটা পরিচিত নই, বিধায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটাও কেমন হবে বুঝি না। গভীর ভাবে চিন্তা-ভাবনা করি না। জীবনকে সুন্দরভাবে ঢেলে সাজানোই এই গ্রন্থের মূল আলোচ্য বিষয়। মুক্তোর ন্যায় রত্নভাণ্ডার। স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্ক গড়ার রোডম্যাপ।
তাই আদ্যোপ্রান্ত গ্রন্থটি অধ্যয়ন করুন।