হঠাৎ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ভ্যানচালক কাশেম। ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় তার কাঠের ভ্যানটি। এমন সময় এগিয়ে আসেন ইদ্রিস ফরাজী। তিনি তাকে উপহার দেন একটি লোহার ভ্যান। আর শোনান ভ্যানটি তার বাড়িতে আসার নেপথ্য গল্প। কী সেই গল্প?
এরপর কাশেম ভ্যানটি নিয়ে রাস্তায় বের হলেও কোনও ‘খেপ’ পায় না। যা বিস্মিত করে তাকে। আচমকা তার সামনে আসেন জমিরুদ্দিন মুন্সী। আর জানান, এই ভ্যানে কোনও মালামাল টানা যাবে না। টানতে হবে কেবল মানুষের লাশ।
একদিন তিনটি লাশ পড়ে কাশেমের বাড়িতে। পাল্টে যায় তার জীবন। কিন্তু লাশ তিনটি কার কার? আর এসব মৃত্যুর সঙ্গে কী সম্পর্ক লোহার ভ্যানের? অন্ধকার রাতে কেন এই ভ্যান ছুটে চলে চালকবিহীন?
অতঃপর ভ্যানটি যে কবরের পাশে থামে, সেটি কার কবর? ইদ্রিস ফরাজীর? নাকি অন্য কারও? কে সেই ‘অন্য কেউ’?