পুরস্কারের জন্যে খবরের পেছনে ছুটিনি। নিজের নাম যশ বাড়বে, মানুষের কল্যাণ হবে এজন্যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পেছনে দিনের পর দিন ছুটেছি। সুন্দরবনের ডাকাত, কাঠ চোর এমনকি রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে ভয় পাইনি। সুন্দরবন নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখেছি। প্রতিবেদনটির জন্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০০২ পেয়েছি । ঝিনাইদহের সুরাট গ্রামের মহিলারা কম পানি পান করে। রাতে ঠিকমতাে ঘুম হয় না। বাড়িতে পায়খানা নেই। জঙ্গলও নেই । মহিলাদের অমানবিক এই জীবন চিত্র নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখে। বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা পুরস্কার ১৯৯৭ পেয়েছি । চিংড়ি ঘের, যৌতুক, গ্রামীণ সন্ত্রাস এই বিষয়গুলাে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখে পুরস্কৃত হয়েছি। একটি ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের কোনাে মহিলা কোনােদিন ভােট দেননি। এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্যে মােনাজাতউদ্দিন স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছি। আবার সরকারের পক্ষ থেকে মহিলাদের ভােটাধিকার প্রয়ােগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত এই প্রতিবেদনগুলাে নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রকাশের ইচ্ছা অনেক দিনের । সেই ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে। তাতে আমি খুশি। আরাে খুশি, নতুন প্রজন্মের অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের গ্রন্থটি কাজে লাগবে।