যারা বলেন- ইংরেজি শিখতে গ্রামার লাগে না!
তারা না বুঝে বলেন, নাকি বুঝে প্রতারণা করেন, আমার বোধগম্য নয়।
আর যারা বলেন-
গ্রামার লাগবেই এবং সরাসরি গ্রামার শেখার পেছনে জীবনপাত করছেন, তারা ভাষা শেখানোর নামে কোমলমতি শিক্ষর্থীদের উপর গ্রামারের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছেন। এ বোঝা টেনে-টেনে শিক্ষার্থীরা ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে ইংরেজি বিমুখ হয়ে যাচ্ছে।
আর যারা বলেন-
যেভাবে শিখেছি বাংলা ….. বাস্তবতার নিরিখে এটি একটি চরম উপহাস!
ইংরেজি শেখানোর সুযোগে যাচ্ছেতাই খাওয়ানোর অপচেষ্টা।
আমি এসব জায়গা থেকে বের হয়ে এসেছি।
এসব শেখা আর মুখস্থ বিদ্যার মধ্যে ইংরেজি বুঝা ও বলার দক্ষতা অর্জিত হয় না।
আমাদের দেশের বেশীরভাগ শিক্ষার্থী গ্রামারের মারপ্যাঁচ ও নিয়ম-নীতির বেড়াজালে বন্দি। বাস্তবে ইংরেজি বলতে গেলে কিভাবে শুরু করবে, গৌ-থু করবে, শেষ করবে, এমনি সাত-পাঁচ ভেবে হাজারো বাঙ্গালি শিক্ষার্থীর ইংরেজি বলার স্বপ্ন ভঙ্গ হচ্ছে।
ডিফেন্সে (Riyadh, KSA) থাকাবস্থায় দেখেছি- শুধুমাত্র ইংরেজিতে কমিউনিকেট করতে না পারায় বাঙ্গালি মাত্রই পদে পদে নিগৃহীত, অপমানিত হচ্ছে। প্রমোশান এবং ইনক্রিম্যান্টের সময় বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে, কারণ ভাষাটা ওখানে অনেক বড় ব্যাপার।
তাই ৩০ বছর পূর্বে মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স এন্ড এভিয়েশানের চাকরি ছেড়ে বাঙ্গালি শিক্ষার্থীদের সহজে ইংরেজি শেখানোর ব্রতি নিয়ে শুরু করি এবং আল্লাহর মেহেরবাণীতে অনবরত গবেষণায় নিমগ্ন থেকে বাংলা মেথড আবিস্কার করি যেন বাংলা ফরম্যাটে-
☆ ১০/১২ বছরের বাচ্চারাও IPA Sound সহজে পড়তে-লিখতে ও বুঝতে পারে।
☆ Contextual সিস্টেমে শব্দার্থ মুখস্থ করা ছাড়াই শব্দার্থ আয়ত্ব করতে পারে।
✩ Converting System এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী সহজেই গ্রামার নিয়ন্ত্রণ করতে
পারে এবং পুরো ইংরেজি ভাষা ১ পেইজে মনে রাখতে পারে।
বাংলা মেথডে ইংরেজি শেখার পর ইংরেজি পরীক্ষায় ফেইল তো দূরের কথা বরং ইংলিশ-ম্যানদের মতো ইংলিশ বলার কারণে সে ক্লাসে, ভাইভা বোর্ডে, পদন্নতিতে, বিদেশে সর্বত্র
প্রশংসিত ও সম্মানিত হয়ে উঠবে ইন-শা-আল্লাহ!