শাকসবজিকে বেশি ছোট ছোট টুকরা করবেন না। শাকসবজিতে যে পানি বের হবে সেটা ফেলে দেবেন না। যে কোন তরকারি অল্প তাপে, অল্প পানিতে ঢেকে ভালো করে সিদ্ধ করে নেবেন। মাছ, মাংস অল্প তাপে বেশিক্ষণ ঢেকে রান্না করবেন। যে কোন রান্নায় পিঁয়াজ বেশি দিলেই মজা হয় না। পেঁয়াজটা পরিমাণমতো দিতে হবে। রান্না করার সময় তেল বা ঘি আন্দাজমতো দেবেন, বার বার দেবেন না, বার বার দিলে কাঁচা তেলের গন্ধে তরকারির স্বাদ নষ্ট হয়। করল্লা রান্না করার সময় ঢাকবেন না, তাতে করল্লা বেশি তিতা লাগবে। রান্না করার সময় তেল যখন গরম হবে তখন এক কাপ পানি দেবেন। পরে সব মসলা দেবেন (তবে সব তরকারিতে নয়)। তারপর ওই মসলাটাকে ভালোভাবে কষিয়ে নেবেন যেন কাঁচা মসলার গন্ধ না থাকে। সূর্যের আলোতে দুধ রাখবেন না, তাতে ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়। তরকারি রান্না করতে হলে লোহা বা তামার চেয়ে এলুমিয়ামের পাত্রে রান্না করা ভালো। এতে ভিটামিন 'সি' কম নষ্ট হয়।