“রহস্যে ঘেরা প্রাচীন গ্রীস" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ বিংশ শতাব্দী পেরিয়ে আমরা একবিংশ শতাব্দীতে প রেখেছি। স্থাপত্যবিদ্যা, বিজ্ঞান আর পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের কল্যাণে আমরা যাপন করে যাচ্ছি একটি স্বচ্ছন্দ জীবন । বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় আমাদের জীবন হয়ে উঠেছে উপভােগ্য। অন্যদিকে নগরসভ্যতা আর দৃষ্টি কেড়ে নেয়া স্থাপত্যশৈলী দেখে আমরা মুগ্ধ হচ্ছি । কিন্তু এ কথা সত্য যে, এ সবকিছুই সমসাময়িক শতাব্দীর নয়। বিশ্ব সভ্যতা উৎকর্ষতার এ পর্যায়ে ( উন্নীত হবার আগে পেরিয়ে এসেছে অগণিত শতাব্দী শত শত যুগ, গড়ে উঠেছে নানা সভ্যতা, সমৃদ্ধ হয়েছে পৃথিবীর জনজীবন। প্রাচীন যুগের মিসর সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা, মায়া, ইনকা, রােম এবং গ্রীকসভ্যতাসহ আবিষ্কৃত অনাবিষ্কৃত একাধিক সভ্যতার উত্তরসুরি আমরা। পৃথিবীর নানা প্রান্তে নানা জাতি গড়ে তুলেছে নানা প্রকৃতির সভ্যতা। তার মধ্যে গ্রিক সভ্যতা একটি বিশেষ অবস্থান ধরে রেখেছে। অলিম্পিয়া পাহাড়ের পাদদেশের ক্রীড়াভূমি, দেবতা জিউস আর এ্যাপােলাের মন্দির, ইতিহাসখ্যাত ট্রয় নগরী—দৃষ্টিনন্দন সব মন্দির আর নগর গড়ে তােলার পেছনে কী দেবদেবী বা গ্রহান্তরের রহস্যময় প্রাণীদের অবদান ছিলাে? সেসব প্রশ্নেরই জবাব খুঁজতে চেষ্টা করেছেন স্বনামখ্যাত অনুসন্ধানী ইতিহাসবিদ এরিক ফন দানিকেন তার লেখা ‘রহস্যে ঘেরা প্রাচীন গ্রীস' বইটিতে।